২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৯ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সরকার চাইলে কোটা সংস্কার করতে পারবে, হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

spot_img

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হাইকোর্টের রায়ের কার্যকরী ও নির্দেশনা অংশ প্রকাশ করা হয়েছে। এ রায় পাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

কোটা নিয়ে ২০১৩ সালে দেওয়া আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারি অফিস আদেশ তুলে রায়ে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল করতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হলো। এছাড়া জেলা, নারী, প্রতিবন্দ্বী, আদিবাসী, জাতিগত সংখ্যালঘু বা ক্ষুদ্র ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও কোটা পদ্ধতি বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ের এই আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে কোটা পুনর্বহাল করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

তবে রায়ে বলা হয়েছে, প্রয়োজনে সরকার কোটার অনুপাত বা শতাংশ কমাতে-বাড়াতে পারবে। কোটা পূরণ না হলে মেধা তালিকা থেকে কোটা পূরণের কথা বলা হয়েছে রায়ে।

রায় পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান জামান বলেন, এক পৃষ্ঠার রায়টি পেয়েছি। এটি পূর্ণাঙ্গ রায় না। এই এক পৃষ্ঠার রায়ে কার্যকরী ও নির্দশনা (অপারেটিভ পোরশন) অংশ রয়েছে।

এই রায় দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করবে কিনা, জানতে চাইলে এ আইন কর্মকর্তা বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় পেলেই লিভ টু আপিল করা হবে।

২০১৮ সলে কোটা পদ্ধতি বাতিল করার আগ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষণ করা হতো।

এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ছিল ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা। এই কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে ছয় বছর আগে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানের আন্দোলন গড়ে তোলেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশিরা। সে সময় এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন নুরুল হক নুরসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ