
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার মায়ামির ডাগআউটে থাকা কোচ গুইলার্মো হোয়োস মেসির অবস্থা নিয়ে কথা বলেন। ৭২ মিনিটে মেসির আকস্মিক মাঠ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনো চূড়ান্ত কোনো মেডিকেল রিপোর্ট নেই, তবে খুব দ্রুতই তা চলে আসবে। আসলে ও (মেসি) ভীষণ ক্লান্ত ছিল, মাঠের পরিস্থিতিও বেশ ভারী (কাদাময় বা ভেজা) ছিল। সেই অর্থে এটি কেবলই পেশীর ক্লান্তি। যেকোনো ধরণের সন্দেহের মুখে আমরা সবসময় চেষ্টা করি খেলোয়াড়কে নিয়ে যেন কোনো ঝুঁকি নেওয়া না হয়। তাই ওকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’
কোচ আরও জানান, মাঠের কন্ডিশন বিবেচনা করে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং ম্যাচ শেষে মেসির সাথে তাঁর আলাদা করে কোনো কথা হয়নি।
আর্জেন্টিনা ফুটবল দল ও টিওয়াইসি স্পোর্টসের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্র ও সাংবাদিক গ্যাস্টন এদুল তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ ভক্তদের আশ্বস্ত করে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
‘লিওনেল মেসি সম্পূর্ণ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে নিজেই বদলি চেয়েছিলেন, কারণ তাঁর হ্যামস্ট্রিং কিছুটা ভারী বা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তাঁর কোনো মাসল ইনজুরি বা পেশী ছিঁড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি। তিনি ওই জায়গাটিতে আর বাড়তি চাপ দিতে চাননি এবং কোনো ঝুঁকি নেননি।’




