
প্রথমার্ধে জুলিয়ান আলভারেজের জালভেদ, দ্বিতীয়ার্ধে লিওনেল মেসির। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কানাডার বিপক্ষে ২-০ গোলের সোজাসাপ্টা জয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা কোপা আমেরিকার টানা দ্বিতীয় ফাইনালে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ফাঁকায় থাকা আলভারেজের দিকে বল বাড়ান রদ্রিগো ডি পল। দারুণ রিসিভের পর এক ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে কানাডার জালে বল পাঠান আলভারেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে কানাডার ফিরে আসার মরিয়া চেষ্টা সত্ত্বেও সফলতা আসেনি। উল্টো ম্যাচের ৫১তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল পায় আলবিসেলেস্তেরা। বক্সের জটলার মাঝেই নেওয়া এনজো ফার্নান্দেজের শট মেসির পা ছুঁয়ে ঠাই পায় জালে।
এবারের কোপায় মেসির প্রথম গোল এটি। সেই সঙ্গে ছয়টি কোপায় গোল পেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কোপার ইতিহাসে এটি তার ১৪তম গোল।
ব্রাজিলের জিজিনিয়োর পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ৬টি ভিন্ন ভিন্ন কোপায় গোল পেয়েছেন এলএমটেন। এছাড়া নিজের ১৮৬তম ম্যাচে এসে পেয়েছেন ১০৯তম আন্তর্জাতিক গোল। ইরানের আলী দাঈয়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি গোলের টালিতে দুইয়ে আছেন মেসি। আর এক গোল পেলেই ছাড়িয়ে যাবেন তাকে।
দুই গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পরও অবশ্য হাল ছাড়েনি কানাডা। যদিও ৬৮ মিনিটে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে পড়ে তাদের। পায়ের চোটে মাঠ ছাড়েন কানাডা তারকা আলফোন্সো ডেভিস। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে এসে গোলের সুযোগটাও পেয়ে যায় তারা। ৮৯ মিনিটে তানি ওলুয়াসারির বক্সের মাথা থেকে নেওয়া শট দুর্দান্তভাবে পা দিয়ে ঠেকান আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
সবশেষ ১০ বছরে আর্জেন্টিনা খেলবে তাদের ৬ষ্ঠ মেজর ফাইনাল। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের পর ৩ বিশ্বকাপের মাঝে দুবার। আর ২০১৯ ব্যতীত ৪র্থ কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলতে নামবে আর্জেন্টাইনরা। সবশেষ ৩ বছরে দুর্দান্ত সাফল্য পাওয়া দলটার সামনে তাই এখন ইতিহাস গড়ার হাতছানি।




