
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেতনায় মহান স্বাধীনতা
বেরোবি প্রতিনিধি;সাজ্জাদুর রহমান
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। এ দিনটি হলো তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার মহান শক্তি। দিনটি আমাদের কে চিন্তা করতে শেখায় কীভাবে একটি দেশকে শোষণ,জুলুম,অত্যাচার,নিপীড়নের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে বুকে বল নিয়ে হাটতে হয় অথা স্বাধীন হতে হয়।
দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের বীজ হলো এ স্বাধীনতা। এ দিনটি তরুণদের জন্য বিজয়ের। এ দিনটি কে যদি আমরা একটা দিবস বা ক্ষণ ভাবি তাহলে ভূল হবে এ দিনটি ছিলো বাঙালীদের জীবনে তৈরি করে নতুন গতিপথ,উদিপ্ত করে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ার চেতনা। এসব কারণেই এ দিনটির তাৎপর্য অনেক বেশি।
এ দিনটি সম্পর্কে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী মতামত জানতে চাওয়া হলে তারা যা বলেন।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সজিব আফ্রিদি বলেন,’বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহসিকতায় আজ আমরা স্বাধীন জাতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়নের জন্য এই স্বাধীনতা সকলের জন্য অব্যাহত রাখতে হবে। যাতে স্বাধীন বাংলায় কোনো ক্রমেই কোনো স্বাধীন ব্যক্তির স্বাধীনতা খর্ব না হয়। আমরা যেভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছি সেভাবে স্বাধীনতা রক্ষা করবো।’
লোক প্রশাসন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, ‘ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে ২০২৪ সালে। স্বাধীনতা অর্জনের পর জনগণের মনে তৈরি হয় সমাজ নতুনভাবে গড়ে তোলার গভীর আকাঙ্ক্ষা। স্বাধীনতা লাভ করা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার। তবে স্বাধীনতা রক্ষায় অধিক সতর্ক, সচেতন এবং সৃষ্টিশীল হতে হয়।স্বাধীনতা অর্জিত হলেই চিরস্থায়ী হয় না। তা যে কোনো সময় হরণ হতে পারে। তাই স্বাধীনতা অর্জনই মূল উদ্দেশ্য নয়। এ কে সচেতন ভাবে রক্ষা করা অন্যতম দায়িত্ব।
পরিসংখ্যান বিভাগের অন্যতম শিক্ষার্থী বলেন,
স্বাধীনতা এ শব্দটা শুনলেই সবার আগে যে বিষয়টা মাথায় আসে সেটা হলো অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, জুলুম এর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ। প্রতি বছর ২৬ মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কোনো অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি মুখ বুজে মেনে নেওয়া নয় বরং শক্ত হাতে তা প্রতিরোধ করা আমাদের দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে দীর্ঘ নয় মাস সর্বস্তরের মানুষের ত্যাগ এর মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, এ স্বাধীনতা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। দেশকে ভালোবাসতে হবে এবং দেশের কল্যাণে সবাইকে ভালো কাজ করতে হবে। তাহলেই প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা রক্ষিত হবে।
রসায়ন বিভাগের বিভাগের শিক্ষাথী সারমিন আক্তার বলেন,
আমরা জানি স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন যা বর্তমান সমাজে প্রতিনিয়ত আমরা পরিলক্ষিত করতে পারি।এ স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে অনেক মানুষ হতাহত হয়েছে। কেউ হারিয়েছে ভাই কেউ হারিয়েছে বাবা কেউ হারিয়েছে বোন।।তারা যে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছে তারা চেয়েছিল তারা পাবে নিজের কথা বলার অধিকার সহ সব ধরনের অধিকার। সেজন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে ভয় পায়নি।কিন্ত বর্তমান সমাজে একজন মানুষের স্বাধীনতা সমাজে সহজেই নষ্ট হয়ে করা হচ্ছে। স্বাধীনতার যে আসল মর্ম তা আজ মানুষের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে।এভাবেই স্বাধীনতা রক্ষা করাই কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। তাই বলা যায় স্বাধীনতা অর্জন করার পাশাপাশি আমাদের উচিত স্বাধীনতা রক্ষা করা।




