
আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি-
বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিযে অবৈধ পুকুর খননের হিড়িক পড়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা করে দিন-রাত পুকুর খনন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকা বাসীরা বলেন দু-মাস ধরে পুকুর খনন করা হলো সকল মাটি ছাতিয়ান গ্রাম হয়ে ইট ভাটায় এবং ভরাটে নিয়ে যায় । দিনের মধ্যে ২ ঘন্টা মাটি কাটা বন্ধ রাখা হয় এই সময়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন একাধিক দপ্তর। উপজেলাবাসীরা বলছেন, বিএনপি সরকার আমলে এটা কিভাবে সম্ভব, অবশ্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট কোনো ব্যক্তি অভিযোগ দিলে এস্কেভেটরের (ভেকু) ব্যাটারি খুলে আনতে দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে দুই/একদিনের ভেতর কি এমন সমঝোতা করে ব্যাটারিসহ সকল টুলবক্স দিয়ে দেওয়া হয় তা জানা যায় বিষয়টি একাধিক সূত্রে জানা গেছে।উপজেলা প্রশাসন এবং থানা পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে প্রতিনিয়ত জমির আকার পরিবর্তন করে পুকুর খনন করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন কোনোরকম কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করছে না। থানা পুলিশ বলছে পুকুর খনন বন্ধ করার দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাতিয়ান গ্রাম ইউনিয়নের স্হানীয় বাসিন্দা বলেন, আগে আ.লীগের নেতারা পুকুর খননের ব্যাপারগুলি নিয়ন্ত্রণ করত। এখন খোলস পাল্টে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে পুকুর খনন করছে। পুকুর মালিকরা বর্তমানে এই খোলস পাল্টানো দালালদের সাথে সমঝোতা ও উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পুকুর খনন অব্যহত রাখছে।স্থানীয়রা বলছে, শুধুমাত্র অনেক টাকা লেনদেনের কারণে পুকুর খননের কার্যক্রম কোনোভাবেই থামছে না। তাই উপজেলা জুড়ে তিন ফসলি জমিতেও একাধিক পুকুর খনন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত না খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




