২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

শাজাহানপুরে কুরবানি ঈদ কে সামনে রেখে হাতুড়ি-হাপরে ব্যাস্ত সময় পার করছে কামার শিল্পীরা

spot_img

মো:মহিউদ্দিন শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। আর মাত্র কদিন পরেই কুরবানির ঈদ। এই ঈদের অন্যতম কাজ হচ্ছে পশু কুরবানি করা। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় তার নামে পশু জবেহ করাকে কোরবানি বলে। ঈদুল আযহা উপলক্ষে আল্লাহর নামে নির্দিষ্ট কিছু হালাল পশু জবাই বা কোরবানি করা হয়। আর এই ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা।

কামারের দোকানের টুংটাং শব্দই বলে দিচ্ছে ঈদের আগমনী বার্তা। দিন রাত চলছে চাপাতি,দা,বটি,ছুরি তৈরি ও শানের কাজ। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কামার শিল্পের কারিগররা কাজের ব্যাস্ততায় নাওয়া খাওয়া ভুলে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তাদের কর্মযজ্ঞ ।

কয়লার দগদগে আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করছেন সব ধারালো সামগ্রী। তবে এসব তৈরিতে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। পুরানো সেকালের নিয়মেই চলছে আগুনে পুড়ে লোহা হতে ধারালো সামগ্রী তৈরির কাজ। শাজাহানপুরের একাধিক কামার জানান, আমরা অনেক বছর যাবৎ এ পেশায় জড়িত। কুরবানির ঈদ আসলেই আমাদের ব্যাস্ততা বেড়ে যায়,আমরাও এ সময়ের অপেক্ষায় থাকি। সারা বছর বেচাকেনা কিছুটা কম থাকে,কোনো রকম দিন যায়। এই সময়ের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কুরবানির ঈদের আগে এক সপ্তাহ ভালো বেচাকেনা হয়।

এই সময় দামও ভালো পাওয়া যায়। লোহার তৈরি ছোট ছুরি ১০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জবাই ছুরি মিলছে ১২০০-১৫০০ টাকায়। বিভিন্ন সাইজের চাপাতি ৬০০-৮০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। দা-বঁটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০ টাকায়।

কয়েকজন ক্রেতা জানান,কুরবানির ঈদের আরো কদিন বাকি তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কেনার কাজটি সেরে ফেলছেন। তবে অন্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি,চাকু,কাটারির দাম একটু বেশি বলে জানান তারা। লোহার পাশাপাশি স্টিলের ছুরি চাকু ও বিক্রি হয় অনেকাংশে।

সর্বাধিক জনপ্রিয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- বিজ্ঞাপন -spot_img

সর্বশেষ